চমকপ্রদ এই টিপসগুলো আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে        চমকপ্রদ এই টিপসগুলো আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে

সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সহজ এই টিপসগুলো মেনে চলুন!

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে কে না চায়? দীর্ঘায়ু ও কর্মক্ষম দেহ আমাদের সবারই কাম্য। তবে আমরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাইলেও এই সুস্বাস্থ্য অর্জনে কি করা উচিত ও কি করা উচিত নয় সে সম্পর্কে অবগত নই। সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললেই আমরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারি। এই ১০ টি টিপস আপনার সুস্বাস্থ্য গঠনে সহায়তা করবে। চলুন টিপসগুলো জেনে নিই -

সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি

প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা খুবই জরুরি। তবে সকালে ঘুম থেকে উঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

এ অভ্যাসটি যদি রপ্ত করা যায় তবে অনেক ধরনের রোগ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়। আর এজন্যই দিনের শুরুর এই এক গ্লাস পানিকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা 'স্বাস্থ্যকর', 'বিশুদ্ধ', 'সুন্দর' ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করে থাকেন।

পরিমিত ঘুম

 

সারাদিন বিভিন্ন কাজ করে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে তো সবাই ভালোবাসে। নিশ্চিন্ত মনে ঘুমিয়ে যাওয়ার মত শান্তি এই পৃথিবীতে  আর কিছুতেই পাওয়া যায় না। পৃথিবীর সকল প্রানীর জন্যই ঘুম প্রয়োজন। ঘুম হচ্ছে বিশ্রামের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ঘুমানোর সময় মানুষ সচেতন থেকে অবচেতন অবস্থায় চলে যায়।

বয়স অনুযায়ী ঘুমের প্রয়োজনীয়তার তারতম্য আছে। প্রতিদিন নবজাতকদের ১৬ ঘন্টা, ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীদের ১২ ঘন্টা, ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ১০ ঘন্টা, ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের ৮ ঘন্টা, এবং ৬৫ বছরের উপরে ৭ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।

সকালে বিছানায় হাত-পা নাড়াচাড়া করা

সকালে বিছানায় থাকা অবস্থায় হাত-পা সহ শরীরের অঙ্গ-প্রতঙ্গ নাড়িয়ে নিন। এতে আপনার ঘুম ঘুম ভাব দূর হবার পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালনও বৃদ্ধি পাবে।

মুখরোচক খাবার পরিহার

বিস্কুট, পটেটো চিপস, বার্গার, কোক ইত্যাদি খাবার পরিহার করুণ। কারণ এইসব খাবারে চর্বির পরিমাণ থাকে বেশি। তাই যথাসম্ভব ফল খাওয়ার চেষ্টা করুণ।

সকালে স্বাস্থ্যকর খাবার

সকালের নাস্তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সারা দিন আমাদেরকে প্রাণবন্ত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তা বেশি পরিমাণে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং সারাদিন ধরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

তাই প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু সব ভারী খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়।

নিয়মিত হাঁটা

যারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন তাদের হার্টের অসুখ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। এছাড়া হাঁটার সময় শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিআর কমে যায় ও ভালো কোলেস্টেরল এইচডিআর-এর মাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়া শরীরের রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে।

সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করা

বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সাথে যথা সম্ভব সময় কাটান। যা আপনার দেহ ও মন উভয়কেই ভালো রাখবে।

প্যাকেট জাতীয় খাবার ক্রয়

এইসব খাবার ক্রয়ের আগে ভালো মানের ও ভালো ব্র্যান্ডের পণ্য দেখে খরিদ করুন।

মাঝে মাঝে নতুন কোথাও ঘুরতে যান

আপনার দেহ মন ভালো রাখতে মাঝে মাঝে নতুন কোন স্থানে ঘুরে আসুন।

নিজের জীবনকে ভালবাসুন

যদি আপনি আপনার জীবনকে ভালবাসেন তবে আপনি আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিবেন। নিজেকে অর্থাৎ জীবনকে ভালবাসলেই আপনি আপনার স্বাস্থ্যের প্রতি ঠিকই সচেতন হবেন।

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ...



জনপ্রিয়