এক হাজার বছর পর কেমন হতে পারে পৃথিবী এক হাজার বছর পর কেমন হতে পারে পৃথিবী

এক হাজার বছর পর কেমন হতে পারে পৃথিবী

গত বছর অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইউনিয়নে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, পৃথিবী আর সর্বোচ্চ ১০০০ বছর বাঁচবে এর মাঝে আমাদের নতুন যায়গা খুঁজে বের করতে হবে, আপনাদের কাছে কি মনে হয় এক হাজার বছর পর আমরা বেঁচে থাকতে পারবো নাকি কোন পন্থা অবলম্বন করে আমরা আরও বেশি বেঁচে থাকতে পারবো, চলুন তার একটি ব্যাখ্যা দেখে আসা যাক।

 

মানুষ এক হাজার বছরেরও বেশি বেঁচে থাকবে

source: internet

source: internet

পৃথিবীর বড় বড় বিনিয়োগকারীরা মানুষ যাতে আরও বেশি বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে এই জন্য বিনিয়োগ করছে। 

source: internet

source: internet

মাইক্রোবায়োলজিস্ট এবং মেডিকেল ইঞ্জিনিয়াররা প্রতিনিয়ত গবেষণা করছে আমাদের যে জিন কিংবা টিস্যুর কারণে বয়স বেড়ে যায় তা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই গবেষণা হতো একদিন আমাদেরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং টিস্যু কিংবা জিনের ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেবে যার কারণে আমাদের আর বয়স বাড়বে না, এবং বার্ধক্য জনিত কারণে কেউ মারা যাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

 

বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবী ছাড়া অন্য কোন স্থান 

source: internet

source: internet

আজ থেকে একহাজার বছর পর মানুষ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোন জায়গায় নিজেদের থাকার মত স্থান বের করে নিতে পারবে, সেটা হতে পারে এক গ্রহ থেকে আরেক গ্রহে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা কিংবা স্পেস এ থাকার কোন বিকল্প কোন ব্যবস্থা পাওয়া যায় কিনা তা নিয়ে গবেষণা চলছে। এতে সফল হলে এখন যেমন আমরা এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাওয়াটা যত সহজ ঠিক একই ভাবে এক গ্রহ থেকে আরেক গ্রহে যাওয়ার ব্যাপারটা একই রকম হয়ে যাবে। 

এটা যেমন আগে কল্পনা করা যেত না, এখনই তো শুধু সময়ের ব্যাপার। আগামী ১০০০ বছর পরে আশা করা যাচ্ছে মানুষ থাকার নতুন কোনো সন্ধান খুঁজে পাবে।

 

আমরা কি দেখতে একইরকম থাকবো

source: internet

source: internet

মানুষের সার্বিক অনেক পরিবর্তন হয়েছে, ডাক্তার কাউনের হাইপোথিসিস মতে মানুষের শরীরের পরিবর্তনগুলো হতে পারে আমাদের মাথায় এখনকার চেয়ে সাইজে বড় হতে পারে চোখগুলো বড় বড় হতে পারে গায়ের রং পরিবর্তন আসতে পারে।

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার ইন্টেলিজেন্স মানুষের জায়গা দখল করতে পারে

source: internet

source: internet

২০১৪ সালের একটি সুপার কম্পিউটার কে গবেষণা করে দেখা গেছে তার প্রসেসর এবং চিন্তা করার ব্যাবস্থা মানুষের ব্রেইন এর কাছাকাছি, চিন্তা করতে পারে, চিন্তা করতে পারেন ডিসিশন নিতে পারে আবার যে কোন কথা নিজে থেকে বলতে পারে বিভিন্ন প্রশ্নের সমাধান করতে পারে। 

source: internet

source: internet

কিছুদিন আগে দেখা দিয়েছে এক রোবটকে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ নাগরিকত্ব দিয়েছে, যা অনেক মিডিয়াতে হেডলাইন হয়েছে। রোবোটটি নিজে থেকে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে কিংবা সে নিজে চিন্তা করতে পারে। একসময় কর্মক্ষেত্রেই এভাবেই রোবট মানুষের জায়গা দখল করে নিবে। কারন ক্লান্তির কোন ছাপ রোবটে পাওয়া যাবে না! 

 

মানুষ এবং সাইবর্গ দেখা যাবে

source: internet

source: internet

মানুষের ব্রেইন এর সাথে কিংবা শরীরের সাথে একটি মেশিন যুক্ত করে তা ব্রেইন দিয়ে পরিচালনা করতে পারা কিংবা মানুষের শরীরের যেকোনো অংশ পরিবর্তে একটি মেশিন লাগানোর যে প্রক্রিয়াটি সেটাকে সাইবর্গ বলে, সহজ ভাষায় মেশিনের সাথে মানব দেহের সংমিশ্রণ। এটি শুধুমাত্র আগে বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের দেখা যেত কিন্তু বাস্তবে এখন এর উপস্থিতি পাওয়া যায়।

 

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে মানুষের চোখে দেখার সমস্যার সমাধান বায়োনিক চোখ ব্যবহার করে অন্ধ লোক ও দৃষ্টি পেতে পারে কিংবা পাচ্ছে, আবার শুনতে সমস্যার জন্য বায়োনিক মেশিন আছে।

source: internet

source: internet

এছাড়া মানবসভ্যতার নতুন অনেক পরিবর্তন এসেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংমিশ্রণে আগে একটি যুদ্ধে হাত বা পা কাটা পড়লে তা সমাধানে এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। 

ধারণা করা হচ্ছে আগামী ১০০০ বছর পর মানুষ চাইলে জীব এবং জড় এর মাঝা মাঝি একটি অবস্থানে থেকে জীবন যাপন করতে পারবে। 

 

ভাষা মানুষের জন্য কোন সমস্যা হবে না

source: internet

source: internet

আধুনিক যুগে আমরা দেখতে পাই কিছু মোবাইল অ্যাপ আছে যা যেকোন ভাষাকে পরিবর্তন করে নিজের ভাষায় রূপান্তর করে দিতে পারে। এ ছাড়া গুগল ট্রান্সলেটর কিংবা অনেক সফটওয়্যার আছে যা এখনি তার কিছুটা করছে! নতুন সভ্যতায় হয়তো আর কয়টি ভাষা বলে তেমন কিছু থাকবে না সবাই সবার ভাষা বুঝতে পারবেন।

 

বাড়িগুলোকে সংযুক্ত করা যাবে অথবা এগুলোকে ভেঙে আলাদা করে রাখা যাবে

source: internet

source: internet

আমরা এখনই কিছু ফার্নিচার দেখতে পাই যেগুলোকে ভেঙে ভেঙে ছোট করে ফেলা যায় কিংবা আবার চাইলে জোড়া লাগিয়ে বড় করা যায় আধুনিক যুগে আমরা দেখতে পাব যে বাড়ি ঘরগুলো এরকম চাইলেই ভেঙে ভেঙে কিংবা চাইলে কয়েকটি এক সাথ করে বড় করা যাবে। 

 

ন্যানো টেকনোলজির মাধ্যমে শক্তি এবং দূষণ এর সমস্যা দূর করা যাবে

source: internet

source: internet

আজ থেকে একহাজার বছর পর ন্যানো টেকনোলজি আমাদের পৃথিবীটাকে সুন্দর একটি পরিবেশ দিতে সহযোগীতা করবে বাতাস কিংবা পানি বিশুদ্ধ করতে কিংবা নতুন কোনো শক্তির হাতে নতুন নতুন পস্তুতি আরো ভালো রাখার জন্য সহযোগিতা করবে। 

 

আমাদের সবসময় লক্ষ্য থাকে নতুন কিছু আপনাদের জানানোর। আপনারা নতুন কিছু জানতে পারলে আমাদের আয়োজন সফল হয়।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



জনপ্রিয়